মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ মণিরামপুর থানা পুলিশের অভিযানে ১ নং রহিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও রোহিতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ হাফিজ উদ্দিন এবং ১২নং শ্যামকুড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,মোঃ আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর মধ্য গত ৩ জুন মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে হাফিজ ও ৪ জুন বুধবার দুপুর ১টার দিকে মণিরামপুর সোনালী ব্যাংকের সামনে থেকে আলমগীর হোসেনকে মণিরামপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করা হয় বলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান।

আটক কৃত রোহিতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন মণিরামপুর উপজেলার বাগডোব গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৃত নওশের আলীর ছেলে। আসামী হাফিজের বিরুদ্ধে মণিরামপুর থানার মামলা নং-০১,তারিখ-০২/০৬/২০২৫ যার ধারা-৩৬৪/৩০২/৩৪।
১নং রোহিতা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কৃষ্ণ গোপাল মুখার্জির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৩ই জুন বেলা ১১টার দিকে চেয়ারম্যান পরিষদে এসে কয়েকটি প্রয়োজনীয় কাগজে স্বাক্ষর করার পরপরই খেদাপাড়া পুলিশ ক্যাম্প ও মণিরামপুর থানা পুলিশের যৌথ টিম রহিতা বাজার থেকেই ১২টার দিকে হাফিজকে গ্রেফতার করে।
অপরদিকে আলমগীর হোসেন মণিরামপুর উপজেলার রামনগর গ্রামের ওমর আলীর ছেলে। আটক কৃত আলমগীরের বিরুদ্ধে ১৯৮০সালের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে মণিরামপুর থানার রেকডকৃত মামলা নং-০৮,তারিখ-১১/০২/২০২৫ যার ধারা-১৪৩/১৪৭/৪২৭/৩৮০।
মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান এর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে ১টার দিকে,এস আই আমিরুল শেখ সংগীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে সাবেক উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ইন্জিনিয়ার আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পরপর দুই দিনে রহিতা ও শ্যামকুড় ইউপির চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে তাদের বিরুদ্ধে মণিরামপুর থানায় মামলা আছে এবং তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান,মণিরামপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বাবলুর রহমান খান। এ সময় তিনি আরো জানান, মণিরামপুর থানা পুলিশের এ অভিযান চলমান থাকবে।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।